নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি টাকা আদায়ের অভিযোগ, অতিরিক্ত দামে বিক্রি করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ
নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশের বাজারে ১২ কেজি এলপিজি (LPG) গ্যাস সিলিন্ডার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত অক্টোবর মাসের খুচরা মূল্য অনুযায়ী, বেসরকারি কোম্পানির ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা।
গত ৪ অক্টোবর বিইআরসি নতুন মূল্য ঘোষণা করে। এর আগে সেপ্টেম্বরে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা। নতুন সিদ্ধান্তে দাম বেড়েছে ২৫২ টাকা।
সরকারি মূল্য নির্ধারণের পরও দেশের বিভিন্ন এলাকায় ক্রেতাদের কাছ থেকে বেশি দাম নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিছু এলাকায় ১২ কেজি সিলিন্ডার ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে। এতে সাধারণ ভোক্তাদের বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত দামে এলপিজি বিক্রি করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। নির্ধারিত দামের বেশি নেওয়া এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশও (লোয়াব) সদস্য কোম্পানি, পরিবেশক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের বিইআরসি নির্ধারিত দামে গ্যাস বিক্রির নির্দেশ দিয়েছে।
১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার কেনার সময় নির্ধারিত মূল্য যাচাই করুন। বিক্রেতা অতিরিক্ত টাকা দাবি করলে সম্ভব হলে রসিদ সংগ্রহ করুন এবং বিক্রেতার নাম, দোকানের ঠিকানা ও মূল্যসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করুন। অভিযোগ জানাতে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১-এ যোগাযোগ করতে পারেন।
মনে রাখবেন: ১ হাজার ৮৩৭ টাকা হলো ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসের জন্য বেসরকারি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত খুচরা মূল্য। নতুন মূল্য ঘোষণা হলে পরবর্তী নির্ধারিত দাম কার্যকর হবে।
সূত্র: বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি), দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, বিডিনিউজ২৪ ও জাগো নিউজ।